মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির

ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ইউসুফ পাঠান

খেলাধুলা ডেস্ক:

ছোট ভাই ইরফান পাঠান ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন আগেই। এবার বিদায় বললেন তার বড় ভাই ও দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় অলরাউন্ডার ইউসুফ পাঠান। সব ধরনের ক্রিকেটকেই বিদায় বলেছেন ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ী এই ক্রিকেটার।

৩৮ বছর বয়সী ইউসুফ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘জীবনের এই ইনিংসে আজ ফুলস্টপ দেওয়ার সময় এসেছে।’

ইউসুফ পাঠান সর্বশেষ ভারতের হয়ে খেলেছেন ২০১২ সালের ৩০ মার্চ টি-টোয়েন্টিতে। ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি ওয়ানডে খেলেছেন ৫৭টি ও টি-টোয়েন্টি ২২টি।

২০০৬-০৭ মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেটে অসাধারণ পারফরম্যান্সই তাকে জায়গা করে দেয় ২০০৭ সালের ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে। অবশ্য ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে মুখোমুখি হওয়ার আগে একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ পাননি! ফাইনাল দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের দিন ওপেনিংয়ে নেমে ৮ বলে ১৫ রান করতে পেরেছিলেন। সেই ম্যাচটি ভারত জিতে যায় ৫ রানে! ওই ম্যাচে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হন তার ছোটভাই ইরফান।

এর পর ২০১১ বিশ্বকাপের সময়টাতে ভারতের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে নিজেকে নিয়মিত সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে তোলেন। বিশ্বকাপে খেলেন ৬টি ম্যাচ। ১১৫.৬২ স্ট্রাইক রেটে তার সংগ্রহ ছিল ৭৪ রান। বল হাতে ৪.৭৭ ইকোনমিতে নেন মাত্র একটি উইকেট।

বিবৃতিতে ইউসুফ আরও বলেছেন, ‘ভারতের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ জয় এবং ফাইনালে শচীন টেন্ডুলকারকে কাঁধে তোলার মুহূর্তটি আমার জীবনে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ এই সময় ছোট ভাই ইরফানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা ঝরে তার। বলেছেন, ‘ও আমার জীবনের উত্থান-পতনে সব সময়ই পাশে ছিল।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION